Articles by "ভ্রমন রিভিউ"

মোঃ আরিয়ান আহমেদ।
ট্রুরমেট: তুবা লাইন আানকাই
তারিখ: 19-08-2020
কোচ নং: ১৫-৩৩৯৮


বিকেল 4ঃ10 বাজে গাড়ি ছেড়ে দেয় তারপরে সায়দাবাদ এসে ফ্লাইওভারে সোহাগ আমাদের ওটি দিয়া চলে গেছে 😂 তারপর চিটাগংরোট পর্যন্ত ওটি খাইনি আর কারো কাছে 💪 ছিটাগংরোট থেকে একজন যাত্রী উঠলেন তারপর চলছে গাড়ি ভেলানগর আসি তখন দেখি পিছন থেকে তিশার আমাদের পরের গাড়ি ডিপার দিচ্ছেন কড়া বাউলি দিয়া ওভারটেক করে হাওয়া হয়ে গেছে 💪আবার চলতে থাকি আশুগঞ্জ পার হয়ে তিতাস ওটি দিয়া চলে গেছে 🤣🤣 তারপর আর কোনো ওটি খাইনি 💪 অবশেষে রাত 8:25 বাজে পৈরতলা নেমে যায়
সর্বশেষে একটা কথা এসি গাড়িতে এত শব্দ ফাস্ট টাইম দেখলাম আমার মাথায় প্রচুর ব্যাথা করছে  😥 বিকেল 4ঃ10 বাজে গাড়ি ছেড়ে দেয় তারপরে সায়দাবাদ এসে ফ্লাইওভারে সোহাগ আমাদের ওটি দিয়া চলে গেছে 😂 তারপর চিটাগংরোট পর্যন্ত ওটি খাইনি আর কারো কাছে 💪 ছিটাগংরোট থেকে একজন যাত্রী উঠলেন তারপর চলছে গাড়ি ভেলানগর আসি তখন দেখি পিছন থেকে তিশার আমাদের পরের গাড়ি ডিপার দিচ্ছেন কড়া বাউলি দিয়া ওভারটেক করে হাওয়া হয়ে গেছে 💪আবার চলতে থাকি আশুগঞ্জ পার হয়ে তিতাস ওটি দিয়া চলে গেছে 🤣🤣 তারপর আর কোনো ওটি খাইনি 💪 অবশেষে রাত 8:25 বাজে পৈরতলা নেমে যায়
সর্বশেষে একটা কথা এসি গাড়িতে এত শব্দ ফাস্ট টাইম দেখলাম আমার মাথায় প্রচুর ব্যাথা করছে  😥

কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ 🤗
সবার মতামত আশা করছি।

12 August 2020: Md Mabrur Ahmad‎.
গাড়ি ছাড়ার কথা ছিল 2-30 এ কিন্তৃু ছাড়ছে 2-55 এ
তারপরে ঢাকা থেকে রওয়ানা হল,প্রথমে স্বাভাবিক ভাবেই চলছিল কিন্তু ঢাকা থেকে বের হয়ে তার টান শুরু হল! স্বাভাবিক স্প্রিড ছিল 70+80 আর খালি পাইলেই 100! গাউছিয়া পর্যন্ত কোন খেলোয়ার পাইনি গাউছিয়ার পর থেকেই খেলোয়াল পেয়ে গেলাম, উওরা কে পাইলাম, মনে হল যেন বাতাসেই উড়িয়ে দিলাম! তারপরে কিছুক্ষন পর সোহাগ কে পাইলাম তাকে ও চোখের পলকে খেয়ে দিলাম৷ তারপর কিছুক্ষন চলার পর মিতালি, এনা, হবিগন্জের দিগন্ত কে পেয়ে গেলাম! মিতালি মুহূর্তেই উটি দিলাম৷ এর একটু সামনে পাইলাম এনা কে! তারসাথে কিছুক্ষন পারাপারি করার করার পর তাকে ও খেয়ে দিলাম৷ আমাদের এ খেলাধুলা টা দিগন্ত খেয়াল করছিল! এনা কে উটি দিয়ে এসে যখন দিগন্তের পিছনে লাগলাম, দিগন্ত তখন ফুল মুডে! সে আমাদের কে সাইট দিতে একদম নারাজ! তার সাথে অনেক্ষন পারাপারির পর তাকে ও খেয়ে দিলাম৷ এরপরে অনেক্ষন আর কোন খেলোয়ার সামনে পরেনি৷ কয়েক কিলো চলার পর ছোট বোন কে পেয়ে যাই! অর্থাৎ তিশা কে! সে ও দিগন্তের মত পারাপারি করছে! পরে সে চিন্তা করল বড় বোনের সাথে বেশিক্ষন পারাপারি করলে বাসায় গিয়ে মাইর খেতে হবে! তাই সে ও বাধ্য হয়ে সাইট দিয়ে দিল৷ এভাবে খেলাধুলা করে ভৈরব চলে আসলাম৷ ভৈরব ব্রীজের পর আমার পছন্দের অপারেটর সার্ভিস মাস্টার ইউনিক কে পাইলাম৷ ব্রীজের পর থেকে তার সাথে পারাপারি করছি বিশ্বরোড পর্যন্ত কিন্তু তাকে উটি দিতে পারিনি৷ তারপরে ইউনিক চলে গেল সিলেট রোডে আর আমি চলে আসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রোডে৷
এই ছিল আমার খেলাধুলা রিভিও!

আর এসির কথা না বললেই নয়!
এসি টা ছিল অসাধারণ, অস্হির!
আর সিটের কথা বলতে গেলে ভালই বলব, তবে বেল্ট গুলো থাকলে ভাল হত৷ বেল্ট গুলো খুলে ভুল করছে৷


লিখেছেন: সাদ্দাম হুসাইন হৃদয়।
√√√★ নেগেটিভ//পজিটিভ রিভিউ ★√√√
রিভিউটা একটু বড় হলেও সবাইকে পড়ার অনুরোধ জানাচ্ছি __________________.
ঢাকা টু ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাতায়াত করতে গিয়ে কমবেশি সব পরিবহনেই ভ্রমণ করেছি , বাকি ছিলো শুধু ইকোনো পরিবহনে ভ্রমণ করা !!
তাই বাস জার্নির ষোলকলা পূরণ করতেই গতকাল ঢাকা যাবার মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছিলাম ইকোনো পরিবহন।
বাস ভ্রমণের ক্ষেত্রে যেকোনো পরিস্থিতিতেই আমি A সিরিয়ালের অর্থ্যাৎ একেবারে সামনের চার সীটের যেকোনো একটি বেছে নিয়ে থাকি!!
যদি কোনোক্রমে A সিরিয়ালে সীট না পাওয়া যায়, তবে প্রয়োজনে পিছনের গাড়ির জন্য অপেক্ষা করি !!
যথারীতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পৈরতলা ইকোনো পরিবহন এর নির্ধারিত কাউন্টার থেকে A সিরিয়ালের A3 সীট বেছে নিলাম।
যথা সময়ে ঢাকা মেট্রো-ব-12-0453 বাসটি পৈরতলা কাউন্টার ত্যাগ করে যাত্রা শুরু করলো।
বাস যখন ঘাটুরা পার হচ্ছিল, ঠিক সেই সময়ে বাসের সুপার ভাইজার বললো বিশ্বরোড গিয়ে আপনি সামনের ৮টি সীটের পরে যেকোনো একটিতে বসবেন!! আমি বললাম পিছনের সীটে বসবো কেনো আমাকে তো এই সীট দেওয়া হয়েছে!!
উনি বললো সামনের ৮ সীট ভৈরব আশুগঞ্জের জন্য বরাদ্দ, তাই এইগুলো ছেড়ে দিতে হবে।
আমি বললাম ভাই কাউন্টার থেকে তো আমাকে এমন কিছুই বলেনি!! যদি এমনটা আগে বলতো তাহলে তো আমি অন্যগাড়ী দিয়ে আসতাম, কেননা আর অন্য কোনো পরিবহনে আমি এমন সিস্টেম দেখি নি কোথাও !! আমি যতোটুকু জানি সীট ফাঁকা থাকলে যাত্রীর পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো সীট ই যাত্রী নিতে পারেন!! আর যাত্রী সেবার অন্যতম একটি দিক হলো যাত্রীর পছন্দ অনুযায়ী সীট যাত্রীকে প্রদান করা!!
সুপার ভাইজার উত্তর দিলো, আমাদের সীট কাউন্টার অনুযায়ী ভাগ করা আছে, আপনি কাউন্টারে যোগাযোগ করে জেনে নিন!!
আমি তখন বললাম ভাই আমি এই সীট নিয়েছি, তাই এই সীট ছাড়া অন্য সীটে যাবো না, প্রয়োজনে আপনি টিকেট রিটার্ন নিয়ে বিশ্বরোড পর্যন্ত ভাড়া রাখুন, আমি অন্যগাড়ী দিয়ে যাবো!!
সুপার ভাইজার বলে আপনি পৈরতলা কাউন্টারে গিয়ে টিকেট ফেরত দিয়ে আসুন, আপনাকে তো আর আমি টিকেট দেই নাই, আর টাকা ও আপনি আমাকে দেন নাই !!
আর যেতে চাইলে আপনাকে পিছনের সীটে বসেই যেতে হবে !!!
ইতিমধ্যেই গাড়ী বিশ্বরোড এসে পৌঁছাল!!
বাস থেকে নেমে বিশ্বরোড কাউন্টারে জানতে চাইলাম এই সীট দিতে সমস্যা হবে কিনা ?
পাশেই বসা ছিলো গাড়ীর সুপার ভাইজার।
সে বলতেছে এইটা নাকি আরেক জনের সীট!!
আমি তাকে বললাম যে আমি সামনে সীট না পেলে প্রয়োজনে পিছনের গাড়ীতে যায়!! আমার কথা শুনে সুপার ভাইজার উত্তেজিত হয়ে বললো আপনাকে ওনে বসেই যেতে হবে !!
সে আবার আমাকে প্রশ্ন ছুড়লো আপনি কি যাবেন ???
আমি অনেকটাই হতভাগ হলাম তার এমন আচরণে!! একজন যাত্রীর সাথে একজন সুপার ভাইজারের যতোটুকু ভদ্রতা দেখানোর কথা, তার ছিটেফোঁটা ও দেখলাম না তার মাঝে !!
সে বারবার উত্তেজিত হয়ে কথা বলতে লাগলো!!
শেষে আমি বললাম আমি যাবো না, আপনি আমার টিকেটের টাকা রিটার্ন করেন?
বিশ্বরোড কাউন্টার মাস্টার আমাকে বললো পিছনের ওই সীটটি জানালার পাশে ভালো সীট !! আমি তখন বললাম ভাই, তাইলে আপনি ওইটা ভৈরব থেকে কাউকে দিয়ে দিন, আমি আমার সামনের সীটেই বসি।। তখন পাশ থেকে সুপার ভাইজার পূর্বের ন্যায় উত্তেজিত হয়েই বলতেছে ভাই ওইটা হবে না! ভৈরব থেকে দিলেও আমি দিবো না!! আপনি পৈরতলা ফোন দিয়ে বলেন সীট নাই!!
আচ্ছা সবার কাছে একটা প্রশ্নঃ ভৈরবের যাত্রী যদি সামনের সীটে বসতে পারে, তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যাত্রীরা কেনো পারবে না?? ভৈরবের যাত্রী টাকা দিয়ে টিকেট কেটে যায়, আর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যাত্রীদের কি ফ্রী তে নেওয়া হয়??
যদি তাই না হয় তবে কেনো পরিবহন সেক্টরে এখনো এমন বৈষম্য??
হিসেব মতে তো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যাত্রীরা অগ্রাধিকার পাবার কথা বেশি, কারণ ভৈরব থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যাত্রীরা বেশি টাকা পরিশোধ করে ভ্রমণ করে থাকেন!!
যাইহোক তাদের সাথে আমি আর কথা না বাড়িয়ে, টিকেটের গায়ে লিখা অভিযোগ নাম্বারে ফোন দিলাম এবং বিস্তারিত খুলে বললাম,
যে আমি A3 সীটে যেতে চাচ্ছি কিন্তু সুপার ভাইজার বলছে এই সীট ভৈরবের জন্য তাই আমি এই সীটে যেতে পারবো না!! আমার কথা শুনে অপরপ্রান্তে থাকা ভদ্র লোকটি বললো আপনি কোথায় থেকে উঠেছেন, আর এখন কোথায় আছেন?? বললাম পৈরতলা থেকে টিকেট নিয়েছি, এখন বিশ্বরোড আছি। ভদ্র লোকটি বললো আপনি এই সীটে যেতে পারবেন না সেটা কে বলেছে?? আমি বললাম আপনাদের গাড়ীর সুপার ভাইজার!! আমার কথা শুনে ভদ্র লোক মর্মাহত হয়েছে মনে হলো!! তিনি সঙ্গে সঙ্গে সুপার ভাইজারের হাতে ফোনটি দিতে বললেন!! আমি দেরী না করে সুপার ভাইজারের হাতে ফোন ধরিয়ে দিলাম !!!
আর সত্যি বলতে কি এর পরের বাকিটা ছিলো ইতিহাস !!!
যদিও ভদ্রলোক সুপার ভাইজার কে কি বলছিলো শুনি নাই,,, তবে সুপার ভাইজার যেভাবে আমার পানে তাকাচ্ছিলো, সেটা দেখে খুব সহজেই বুঝতে পারছিলাম, আমার অভিযোগে সুপার ভাইজারের উপর খুব ক্ষেপেছেন ভদ্রলোক!!
সুপার ভাইজার আমার হাতে ফোনটি ধরিয়ে দিয়ে বললো নেন কথা বলুন, আমি ফোন কানে দিলাম, অপরপ্রান্ত থেকে ভদ্রলোকটি খুব বিনয়ের সাথেই বললেন ভাই আপনি যে সীট নিয়েছেন সেই সীটে বসেই যাবেন কোনো সমস্যা নাই!! এছাড়াও যদি আপনার অন্য সীটে বসতেও ইচ্ছে হয়, তবে খালি থাকলে সেই সীটে বসে ও আপনি যেতে পারেন, কেউ আপনাকে কিচ্ছু বলবে না!! ভদ্রলোককে ধন্যবাদ জানিয়ে ফোন রাখলাম।।
শেষ পর্যন্ত নিজের পছন্দের A3 সীটে বসেই ঢাকা পৌঁছালাম।।
অভিজ্ঞতাঃ মূলত আজকের ভ্রমণে খুব ভালো একটি ব্যাপারে অভিজ্ঞতা হয়েছে, আর তা হলো ঢাকা টু ব্রাহ্মণবাড়িয়া রোডে চলাচলকৃত পরিবহন বহরে লাখ লাখ টাকার বিলাস বহুল অত্যাধুনিক গাড়ীর ব্যবস্থা করে যাচ্ছেন মালিক পক্ষ,, কিন্তু কিছু সংখ্যক বেয়াদব, অভদ্র আর ফাজিল টাইপের ষ্টাফ সুপার ভাইজারদের দ্বারা যাত্রী হয়রানীর কারণে, বেশিরভাগ সময়েই মালিকপক্ষ লসের সম্মুখীন হচ্ছেন। আবার ভালো ভালো ব্যানারের ভালো ভালো গাড়ীগুলোর প্রতি ও মানুষের দিন দিন আস্থা হারিয়ে যাচ্ছে !!!
আর এই সুযোগে ফায়দা লুটে নিচ্ছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপর দিয়ে যাতায়াতকারী অন্য জেলার বাস সার্ভিস গুলো।।
পরিশেষে আমি আবারো ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি ইকোনো পরিবহনের সেই ভদ্রলোকটির প্রতি, যিনি অভিযোগ পাবার সাথে সাথেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছেন!!!


-----------------------

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাস সার্ভিস সংক্রান্ত সকল মতামত, পরামর্শ ও অভিযোগ সহজে মালিকপক্ষের কাছে পৌছে দিতে Buses of Brahmanbaria গ্রুপে জয়েন করুন। ধন্যবাদ।





সকালে এহসান ভাইয়ের সাথে দেখা করে আসার পর সজীব ভাই ম্যাসেজ দিলো কয়েকদিন ধরে এই দিকেই ভাইয়ের ডিউটি সময় পেলে দেখা করার জন্য... তো প্রসননো ভাইয়ের সাথে বিশ্বরোড যাওয়ার সময় সজীব ভাইকে নক করি ভাই ও বিশ্বরোড আসতেছে আমিও যায়তেছি... এক পর্যায়ে প্রসননো ভাইয়ের সাথে বিদায় নিয়ে অপেক্ষা করলাম সজীব ভাইয়ের জন্য ১০ মিনিট পর সজীব ভাই হাজির.... অনেক দিন পর দেখা... হালকা আড্ডা দিয়ে দুপুরের খাবার দুইজন একসাথেই খেলাম.... তারপর ৩ টায় ১১৭৫ টিপু ভাই হাজির.... খানিহ্মন চায়ের আড্ডা.. টিপু ভাই চলে গেলো... তো এক পর্যায়ে সজিব ভাই বললো চলেন হালকা টোর দিয়ে আসি আসার সময় রসুল ভাইয়ের সাথে চলে আসবো.... ৪.২০ টাইগার জাবেদ ভাই প্যাকেট ৭২০৩ নিয়ে হাজির... কথা বললাম ছবি তুলা হলো...৪.৪০ যাএা শুরু শুরু থেকেই জাবেদ ভাই মুডে সোহাগ ২০৫৬ ওটি ডান তারপর সেন্টমার্টিন দিপ নামে অজানা বাসের সাথে সমানে সমানে খেলা এক পর্যায়ে সেটাও ওটি.. আশুগঞ্জ, ভৈরব দারানো হয়নাই যাএী ফুল ছিলো... নারায়ণপুর পার হয়ে আগের উওরা,তিতাস ওটি সম্পন্ন.. ৫.২০ মরজাল নেমে জাবেদ ভাইকে বিদায় জানাই....৫.৩০ রসুল ভাই হাজির ১১৬৭.... টান শুরু.. মিতালি ওটি সম্পন্ন ৬০৫ সোহাগের সাথে বিশ্বরোড পর্যনতো সমানে সমান কিছুতেই সাইড দিলোনা + সিএনজি সমস্যা একটু পর পর.... ৬.২৮ আমি মধ্যপাড়া নেমে যায় সজীব ভাইকে বিদায় জানিয়ে...ভাই চলে গেলো কুটি....টোটাল জার্নিটা ভালো ছিলো....

লিখেছেন: শাফিন আহমেদ


প্রান্তিক পরিবহন -
নবীনগর - কোম্পানিগন্জ- চট্রগ্রাম
আশোক লেল্যান্ড ১৮০ প্রাইম





সকাল ৯ টায় কোম্পানিগঞ্জ প্রান্তিক কাউন্টারে যাই,, যেয়ে দেখি একটা ১জে আর এটা দাড়িয়ে আছে,, যাএীর এত চাপ ১০ মিনিটও লাগে নাই ১জে টা লোড হয়ে যায়,,,৯.১০ এ ছাড়ে ১জে টা,, তারপর লেলে ১৮০ প্রাইমে কোনো মতে টিকিট কেটে উঠে পরি,, এ১ এ ছিল সিট একেবারে সামনে,,, ড্রাইভার ছিল মধ্য বয়সি একটা লোক দেখতে একদম একজন ভদ্রলোক,,,,৯.৪৫ এ গাড়ি রওয়ানা দেয়,,, আস্তে আস্তে কোম্পানীগঞ্জ এর জ্যাম টা পার হয়েই টান শুরু হয়,, প্রথম টান দেখেই বুঝেছি পাইলট হেবি পাংখা,,, ইস কি বাউলি মারে কাউকে ছাড় দেয়না,, তারপর উঠে যায় এন ১ এ উঠেই খেলা শুরু প্রথমেই গ্রাম বাংলা,, আর ২ টা সিডিএম কে খেয়ে দিলো ৯০+ এ পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের আগেই,,, তারপর দেখলাম ১০০+ এ পাইলট টানতেছে আর বলতেছে এগুলা আমার নিয়মিত খেলা 😋😋😋😋,, পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড পার হয়েই ইউনিক ১জে কে খেয়ে দেয়,, তারপর বৃষ্টি নামে এবং ৮০-৮৫ এমন স্পিড এ চালইতে থাকে,, প্রায় ২০ মিনিট পরেই বৃষ্টি শেষ হয়ে যায় এবং শুরু হয় আবার সেই পাগলা টান,, আমাদের ৩৫ মিনিট আগে ছেড়ে যাওয়া ১জে টারেও খেয়ে দেয় পাইলট😯😯😯, সবচেয়ে ভালো লেগেছে সোহাগ এলিট স্ক্যানিয়া টারে যে কোপ দিল এটা ভুলতেই পারবনা কোনো দিন,,,,,, অবশেষে ১ টায় অলংকার নামিয়ে দেয় মাএ তিন ঘন্টায়,,,,,,,আর গাইড ভাই ছিল অসাধারন,,অসাধারন তার গাইড,,,
টপ স্পিড-১১০+🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥
রেটিং:
পাইলট:১০/১০
গাইড ১০/১০
বাস কন্ডিশন ১০/৮
ওটি দিয়েছি-সিডিএম ৪ টা,, ইউনিক ১টা,,, তিশা,, ১টা,, বাধন ১টা,, সোহাগ এলিট ১টা,, যমুনা লোকাল ৩ টা,,, আগে ছাড়া প্রান্তিক এর ১টা,,, পদ্মা ১টা,,
ওটি খেয়েছি,, জোনাকি থেকে শুধু একটা,, পরে আবার ব্যাক ওটি দিয়েছে 🔥🔥🔥🔥

লিখেছেন: Rakib Ahmed




ঈদ পরবর্তী ছুটি কাটিয়ে যখনই ঢাকায় নিজ কর্মস্থলে ফেরার পালা আসে, তখনই ট্রেনের বাদুড়ঝোলা চোখে ভেসে উঠে। গা শিউরে উঠে। এটা প্রতিবারই। আর তখনই ভাল ভাল বাস আছে বলে মনকে শান্ত করি।
সকালে যাব বলে আয়েশের ঘুম ভেঙে আরামের বিছানা ছাড়িনি।
খেয়ে দেয়ে রেডি হতে প্রায় সাড়ে দশটা বেজে গেল।
এরপর বিরাসার থেকে পৈরতলা আসি। কাউন্টারে এসে তো চক্ষু চড়কগাছ।
ওরে আল্লাহ এত যাত্রী চাপ???
বিরস মনে কাউন্টারে যাই। একজন বলল, ভাই কই যাইতাছুইন? লাইনে দাড়াইন।
এ্যাঁ, আবার লাইনও আছে???
পাশে দেখি যে রয়েল কোচ এর লোক ডাকতেছে।
কিন্তু ওদিকে আমার কোন ভ্রুক্ষেপই নেই।
আমি বিগত তিন বছর ধরে সোহাগের যাত্রী।
এক দুবার রয়েল ও তিশাতে গিয়ে আমার ভালো লাগেনি।
দেরি হলেও সোহাগেই যাব বলে নিয়ত করলাম।
কাউন্টার ম্যান এর মুখোমুখি হতেই সে জানালো পিছনের সিট ব্যতীত কোন সিট নেই।
আমি কইলাম দশ গাড়ির পেছনে হলেও মাঝে অথবা সামনে সিট দিতে হবে।
ব্যাচারা মুচকি হেসে আমাকে চার গাড়ি পর 6A সিট দিল। 320 টাকার বিনিময় আমি একা দুটি সিট পাই। 6A এবং 6B।
আর যারা ফ্যামিলি প্যাকেজ নিচ্ছিল 2 সিটের দুইজন 540 টাকা ছিল। আমার আগে পিছে যারা ছিল সবার সিট পিছনে ছিল।
এবার অপেক্ষার প্রহর গুনতে লাগলাম।
এগারোটার সময় টিকিট কেটে গাড়িতে উঠলাম 1:20 মিনিটে। পৈরতলা থেকে গাড়ি ছাড়ে 1:25 মিনিটে।
গাড়ির নাম্বার 11-2553
ড্রাইভারের নাম হাবিব।
গাড়ির সিট বেশ পুরনো মনে হল। গাড়ি ছাড়তে ১জে ইঞ্জিনের চমৎকার সাউন্ড সেইসাথে বিরক্তিকর লক্কর-ঝক্কর আওয়াজ। মানে গাড়ি হল পুরনো দাদা।
পুরনো হলেও সিটগুলো মোটামুটি ভালই কম্ফোর্টেবল ছিল।
কিন্তু মাঝেমধ্যে কঠিন ঝাড়ি খেতে হয়েছে। যে সব ঝাড়ি তিশার টাটাতেও খাইনি।
(ড্রাইভার সাহেবের প্রশংসা না করলেই না। এত পুরনো গাড়ি হওয়া সত্বেও মাঝেমধ্যে এত স্মুথলি গাড়ি চালিয়েছেন যা কল্পনা করা যায় না।)
সুহিলপুর থেকে বিশ্বরোড পর্যন্ত প্রচুর জ্যাম ছিল।
বিশ্বরোড থেকে 1:50 মিনিটে গাড়ি ছাড়ে। আবার ভৈরবের জ্যাম। ভৈরব থেকে গাড়ি ছাড়ে 2:32 মিনিটে।
এরপর রাস্তা ফাঁকা ছিল। সেই টান ছিল গাড়ির।
গাড়িতে বসে অনেক চেষ্টা করেও স্পিড মিটার কানেক্ট করতে পারিনি। তার কারণে স্পিড মাপা সম্ভব হয়নি।
পুরো রাস্তায় কোন প্রকার ওটির খেলা-ধুলা হয়নি। কোন প্লেয়ার পাওয়া যায়নি।
গাড়ির অ্যাভারেজ স্পিড ছিল 75 থেকে 80 কিলোমিটার।
গাউছিয়ার আগে হবিগঞ্জের মডার্ণ কে ওটি দেয়।
4:31 মিনিটে কমলাপুর নামিয়ে দেয়।
সোহাগ পরিবহনের পজিটিভ দিকঃ
👉স্বাস্থ্যবিধি মেনে সিট বিক্রয় করা।
👉নিরাপদ ড্রাইভিং।
👉প্রচুর যাত্রী চাপ থাকা সত্ত্বেও ধৈর্য ধরে যাত্রীদের বুঝ দিয়ে শান্ত রাখা।
উক্ত বাসের নেগেটিভ দিকঃ
👉গাড়ির সিট পুরনো। জানালা প্রচুর আওয়াজ করে।
👉পোক তুলে। বিশেষ করে ইঞ্জিনের কাভারে নরসিংদী থেকে চারজন বসায়।
👉বাসের হেলপার ছিল একটু ত্যাড়া টাইপের। নাম নিশাদ।
রেটিংঃ
বাসের কন্ডিশনঃ ১০ এর মধ্যে ৬
ড্রাইভারঃ ১০ এর মধ্যে ১০
হেল্পারঃ ১০ এর মধ্যে ৫।

লিখেছেন: আবদুল্লাহ আল মাসউদ

MKRdezign

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget